যোজনা কমিশন বাতিল করে মোদি সরকার এনেছে নীতি আয়োগ। মুঘলসরাই স্টেশন হয়ে গেছে দীনদয়াল উপাধ্যায়। এবার কোপ ইউজিসি অর্থাৎ ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের উপর। মোদির ট্রান্সফর্মিং ইন্ডিয়া আর আচ্ছে দিনের স্বপ্ন সফল করতে নতুন পদক্ষেপ হিসেবে হায়ার এডুকেশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া (হেকি) বিল আনতে চলেছে। ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মৌলানা আযাদের ব্রেনচাইল্ড এই নিয়ামক সংস্থাকে কেন বাতিল করতে চায় সরকার? পুরনো স্মৃতি মুছে ফেলাই কি মূল উদ্দেশ্য, না কি পিছনে অন্য কিছু? কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের দাবি, উচ্চশিক্ষা কমিশন সংক্রান্ত নতুন খসড়া বিলটিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও ক্ষমতা দেওয়া হবে। অথচ, খসড়া বিল বলছে...
মহাব্বত সেখ ষষ্ঠাদশ শদাব্দীর দিকে ‘নাস্তিক্যবাদ’ শব্দটির ব্যবহার শুরু হলেও মূলত বৈদিক ভারতে এর সূচনা হয়। উল্লেখ্য, খীষ্ট্রপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীর এক দার্শনিককে প্রথম নাস্তিক দার্শনিক বলে মনে করা হয়। তিনি হলেন, গ্রীক দার্শনিক ডাযাগোরাস। De Nature Deorum গ্রন্থে তিনি প্রথম পৃথিবীর সৃষ্টির ক্ষেত্রে ঈশ্বরের অস্তিত্বকে অস্বীকার করেন। অনেকে আবার বলে থাকেন যে, খীষ্ট্রপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে গ্রীক দার্শনিক থিয়োডোরাস এব ল্যাম্পসকাস ও ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করতেন না। আনুমানিক খীষ্ট্রপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে ভারতে নাস্তিক্যবাদের প্রতিষ্ঠা হয, বিশেষ করে তিনটি হিন্দু দর্শনের উত্পত্তির মধ্য দিযে এগুলি হল- চার্বাক, জৈন এবং বৌদ্ধ দর্শন। এই সময...
পশ্চিমবঙ্গে এখন জোর যার মুলুক তার অবস্থা। সেইসঙ্গে জনগণের নিরাপত্তা দেওযার দাযিত্বে থাকা রাজ্যের পুলিশ বাহিনীর অবস্থা আরও করুণ। নিরপেতা খুঁইযে শাসক দলের লেজুরবৃত্তি করছে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ। পুলিশ যতই নিরপেক্ষতা হারিয়ে একপেশে হচ্ছে, রাজ্যে পরিস্থিতি ততই ভয়াবহ হচ্ছে। সাম্প্রতিক পুর-পঞ্চায়েত ভোটে পুলিশের ভূমিকা একেবারেই উদ্বেগজনক। পুলিশ যদি নিরপেক্ষ চরিত্র বজায রাখতে পারত, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ এতটা ভয়াবহ হয়ে উঠত না। বিরোধীদলের মিছিলে পুলিশি বাহাদুরি মটেও পশ্চিমবঙ্গে নতুন নয়। বামফ্রন্টের জামানায় পুলিশ বামফ্রন্টের লেজুড়বৃত্তি করেছে। এখন করছে তৃণমূলের। বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধায় পুলিশের বিরুদ্ধে কম বিষোগার করেননি। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী হয়ে মমতা...
ইউসুফ ইসলাম এটিএসের তথ্য প্রমাণ জাল ও বানানো। মত, ৭/১১ মুম্বাই বিস্ফোরণে ৯ বছর জেল খাটার পর প্রমানিত নির্দোষ আবদুল ওযাদিয়ের। আমার পরিবারে পাঁচ ছেলে মেয়ে আছে। আমি কিন্তু কোনদিনই সমাজের জন্য বিপদের কারণ হযে দাড়াইনি। তবুও আমাকে শাস্তি পেতে হল। কাঁদতে কাঁদতে চোখের জল মুচ্ছেন আর বলছেন- যে ১২ জনের বিরুদ্ধে সাজা শোনানো হয়েছে তাঁরা প্রত্যেকেই আমার মতো নির্দোষ। এটিএস (এন্টি টেররিস্ট স্কোয়াড) যেভাবে মিথ্যা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আমাকে এই মামলায় জড়িয়েছিল, বাকিদেরও ঠিক একইভাবে জড়ানো হয়েছে। এটিএস-এর সমস্ত তথ্য-প্রমাণই জাল এবং এগুলি তাদেরই বানানো। এটিএস-এর দাখিল করা জাল তথ্য-প্রমাণের...