বই: রাসায়েল মিনাল কুরআন
লেখক: আদহাম শারকাভী
অনুবাদ: মুহাম্মাদ মুরসালিম
প্রকাশক: হোয়াইট ডট পাবলিশার্স (নিউ দিল্লী)
প্রথম প্রকাশ: ২০২৬ | পৃষ্ঠা: ২৬৪ | মূল্য: ৩০০টাকা
পাঠ-প্রতিক্রিয়ায়: ডঃ আমিনা খাতুন
আজ যে বইটি নিয়ে কথা বলতে চলেছি সেটি আমার অতি এক প্রিয় ছাত্রের কঠিন পরিশ্রমের ফসল। তাই বইটির পর্যালোচনা করতে গিয়ে এক অদ্ভুত আনন্দ হচ্ছে আমার। একজন শিক্ষক হিসেবে ছাত্রের সাফল্যে আনন্দিত হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ছাত্র যখন নিজের আগ্রহ, অধ্যবসায় ও যোগ্যতার মধ্য দিয়ে প্রত্যাশার সীমা অতিক্রম করে নতুন কিছু করে দেখায়, তখন সেই আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয় এক গভীর গর্ববোধ। মুহাম্মাদ মুরসালিমের এই কাজ আমার কাছে নিঃসন্দেহে প্রচন্ড গর্বের বিষয়। একটি বই সম্পর্কে কথা বলার আগে তার লেখককে জানা যেমন প্রয়োজন, তেমনই অনুবাদের ক্ষেত্রে অনুবাদককেও চিনে নেওয়াটাও অত্যান্ত জরুরি। কারণ, অনুবাদ কেবল এক ভাষার শব্দকে অন্য ভাষায় প্রতিস্থাপন করার কাজ নয়; এটি এক ভাষার ভাব, অনুভূতি, উপলব্ধি ও অন্তর্নিহিত তাৎপর্যকে অন্য ভাষার পাঠকের কাছে সার্থকভাবে পৌঁছে দেওয়ার শিল্প। আর অনুবাদের সার্থকতা নির্ভর করে অনুবাদকের নিষ্ঠা, ভাষার ওপর দখল, বিষয়বস্তুর উপলব্ধি এবং ভাব প্রকাশের স্বাভাবিক ও সাবলীল ভঙ্গির ওপর। এই দৃষ্টিকোণ থেকে আদহাম শারকাভীর’ রাসায়েল মিনাল কুরআন’ গ্রন্থটির বাংলা অনুবাদ মুহাম্মদ মুরসালিমকে জানা ভীষণভাবে প্রয়োজন।
মুরসালিম আমার অত্যন্ত প্রিয় এবং অনুগত এক ছাত্র। চোখ বন্ধ করলে আজও দেখতে পাই বি.এ. শ্রেণিতে সাবসিডিয়ারি বাংলার সেই ছোট্ট ছেলেটিকে। শান্ত, সরল, স্বল্পবাক, মেধাবী এবং পড়াশোনার প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী এই ছাত্রটির মধ্যে প্রথম থেকেই এক ধরনের গভীরতা, সুপ্ত প্রতিভা লক্ষ্য করেছিলাম। তার আচরণে ছিল বিনয়, পড়াশোনায় ছিল একাগ্রতা, আর চোখে ছিল ভবিষ্যৎকে ঘিরে একরাশ স্বপ্ন। মুরসালিম আমার কাছে শুধু একজন প্রাক্তন ছাত্র নয়, সে এমন এক শিক্ষার্থী, যে নিজের মেধা, নিষ্ঠা, ব্যবহার ও অধ্যবসায়ের মধ্য দিয়ে কেবল আমার নয়, সমস্ত শিক্ষকের ভালোবাসা অর্জন করে নিয়েছে। বি.এ. পড়ার সময়টুকু পেরিয়ে যাওয়ার পরও মুরসালিম আমার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছে। তার এই যোগাযোগ কেবল সৌজন্য রক্ষার জন্য নয়; এর মধ্যে ছিল শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা এবং নিজের কাজের প্রতি আন্তরিকতার প্রকাশ। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও ম্যাগাজিনে তার লেখা প্রকাশিত হলেই সে আমাকে পড়তে দিত। স্বীকার করতেই হয়- তার লেখার বাঁধুনি, বিষয় নির্বাচনের অভিনবত্ব, চিন্তার গভীরতা এবং বক্তব্য প্রকাশের দক্ষতা দেখে আমি বারবার মুগ্ধ হয়েছি। তার লেখার মধ্যে আমি এমন এক সম্ভাবনাময় লেখক কে আবিষ্কার করেছি, যে কেবল লিখতে চায় না, নিজের লেখার মধ্য দিয়ে কিছু বলতে এবং পাঠকের চিন্তাজগতে প্রবেশ করতে চায়। বিশেষ করে, যুব প্রত্যাশা’ নামক লিটিল ম্যাগাজিনের সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সংখ্যায় প্রকাশিত নবীজিকে নিয়ে মুরসালিমের লেখা’ তাঁর অনুপস্থিতি যখন নিরাময়ের উৎস’ শীর্ষক প্রবন্ধটি পড়ে আমি ভীষণ ইমোশন্যাল হয়ে পড়েছিলাম। লেখাটি পড়তে পড়তে কখন যে চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠেছিল, তা নিজেও বুঝতে পারিনি। নবীজির প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা, অপরিসীম শ্রদ্ধা এবং অনুভবের যে গভীরতা লেখাটির প্রতিটি ছত্রে প্রকাশ পেয়েছে, তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী। আমি প্রত্যেককে একবার অন্তত লেখাটি পড়ার অনুরোধ জানাব। আমার বিশ্বাস, এই একটি লেখাই পাঠককে মুরসালিমের লেখনীর মুন্সিয়ানা, সংবেদনশীলতা এবং তাঁর অনুভবের গভীরতার সঙ্গে পরিচিত করে তুলবে।
এই অল্প বয়সেই মুরসালিমের বিভিন্ন ভাষায় দক্ষতা অর্জন সত্যিই প্রশংসাযোগ্য। এরই মধ্যে বিভিন্ন জার্নাল, পত্রপত্রিকায় বহু বিশিষ্ট লেখকের বই নিয়ে তার গ্রন্থ-পর্যালোচনাও প্রকাশ পেয়েছে। তার এই লেখাগুলি শুধু বই পড়া ও বিশ্লেষণ করার দক্ষতাকেই প্রকাশ করেনা, অন্যভাষার ওপর তার দখল এবং নিজের পাঠ-উপলব্ধিকে সুসংবদ্ধভাবে প্রকাশ করার ক্ষমতাকেও তুলে ধরে। আর তার এই অসাধারণ দক্ষতার আর এক অসাধারণ নিদর্শন হল- আদহাম শারকাভীর রাসায়েল মিনাল কুরআন’ -এর বাংলা অনুবাদ গ্রন্থটি। মুরসালিমের অনুবাদগ্রন্থটি হাতে নিয়ে মনে হয়েছে, একদিন তার চোখে যে স্বপ্নের আভাস দেখেছিলাম, আজ তারই এক বাস্তব রূপ যেন দেখতে পাচ্ছি, উন্মুক্ত এক আকাশ ছুঁতে চলেছে সে।
বইটি নিয়ে কিছু কথা
এবার একজন সাধারণ পাঠক হিসেবে বইটি পড়ে আমার যে উপলব্ধি হয়েছে, সেটি নিয়ে কিছু কথা বলব। প্রথমেই অন্তর থেকে স্বীকার করছি, আদহাম শারকাভীর’ রাসায়েল মিনাল কুরআন’ গ্রন্থটির বাংলা অনুবাদ আমার মতো ইসলাম সম্পর্কে সীমিত জ্ঞানসম্পন্ন পাঠকের কাছে এক মহা মূল্যবান প্রাপ্তি। গ্রন্থটি কুরআনের শিক্ষা ও জীবনবোধকে উপলব্ধি করার একটি সুযোগ তৈরি করে। ধর্মীয় গ্রন্থের সঙ্গে পাঠকের সম্পর্ক কেবল আনুষ্ঠানিক পাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে তার অন্তর্নিহিত শিক্ষা, মানবিক আবেদন এবং জীবনকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি অনেক সময় অনুধাবন করা সম্ভব হয় না। কুরআনের বাণীকে নিজের চিন্তা, অনুভূতি ও দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত করে বোঝার প্রয়োজন রয়েছে। আর রাসায়েল মিনাল কুরআন আমাদের সেই উপলব্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
ভীষণ দুঃখের বিষয়, বাংলাভাষী মুসলমানদের একটি বিরাট অংশ কুরআন শরীফ পড়তে জানলেও আরবি ভাষা না জানার ফলে কুরআনের বক্তব্যকে সঠিকভাবে উপলব্ধি বা তার বক্তব্যের গভীরতা, তাৎপর্য এবং জীবনমুখী শিক্ষাকে সম্পূর্ণভাবে বুঝে উঠতে পারেন না (এর মধ্যে আমিও একজন)। অথচ কোনো ধর্মগ্রন্থের সঙ্গে প্রকৃত আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার বাণীকে বোঝার, উপলব্ধি করার এবং নিজের জীবনে তার তাৎপর্য অনুধাবন করার মধ্য দিয়ে। কুরআন পাঠের পাশাপাশি তার অর্থ ও মর্ম অনুধাবনের গুরুত্ব এখানেই। আর এই প্রয়োজন পূরণে অনুবাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনুবাদ যদি ভাষাগতভাবে দুর্বল হয়, বাক্যগঠন যদি অসংলগ্ন হয় কিংবা বক্তব্য যদি দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে, তাহলে পাঠকের কাছে মূল ভাবটি পৌঁছনো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই ধর্মীয় ও দার্শনিক বিষয়বস্তুর অনুবাদে ভাষার স্বচ্ছতা এবং ভাবের যথার্থতা অত্যন্ত জরুরি। মূল বক্তব্যের প্রতি বিশ্বস্ত থেকে অনুবাদকে এমন সাবলীল হতে হয়, যাতে ভাষার জটিলতা যেন পাঠকের বিষয়বস্তু অনুধাবনে প্রতিবন্ধতার সৃষ্টি করতে না পারে। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় এই দুর্বলতা আমি প্রায় প্রতিটি অনুবাদগ্রন্থে লক্ষ্য করেছি, যার কারণে আমি বাংলায় অনুদিত ইসলামিক গ্রন্থ পড়তে একটু দ্বিধাবোধ করি। আর এই কারণেই মুরসালিমের এই বইটি আমার আগ্রহ কেড়ে নিয়েছে। মুরসালিমের অনুদিত বইটির যে জিনিসটি আমার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বলে মনে হয়েছে সেটি হল এর প্রাঞ্জল, স্পষ্ট ও সাবলীল ভাষা। একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থকে সাবলীল ভাষায় এত সুন্দরভাবে বাংলা পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এই প্রয়াস নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।
রাসায়েল মিনাল কুরআন এর বাংলা অনুবাদের সাবটাইটেল’ কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ’ শিরোনামটির মধ্যেই রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাশা। কুরআনকে শুধু পাঠ করার বিষয় হিসেবে নয়, জীবনকে বোঝার এবং নিজের চিন্তা ও আচরণকে পর্যালোচনা করার উৎস হিসেবেও দেখার আহ্বান এতে নিহিত রয়েছে। ধর্মীয় জ্ঞান তখনই মানুষের জীবনে অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন তা তার বিবেক, মূল্যবোধ, দায়িত্ববোধ এবং অন্য মানুষের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিকে সমৃদ্ধ করে। আদহাম শারকাভীর এই গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ পাঠকের সামনে সেই জীবনমুখী উপলব্ধির একটি পথ খুলে দেবে, ধর্মীয় বক্তব্যের সহজবোধ্য ভাবে উপস্থাপন পাঠককে পরিচিত ধারণার বাইরে গিয়ে নতুন করে ভাবতে সাহায্য করবে আমি জোরের সঙ্গে বলতে পারি। কুরআনের বাণীর সঙ্গে জীবনের অভিজ্ঞতার সংযোগ খুঁজে পাওয়ার মধ্য দিয়ে পাঠক নিজের বিশ্বাস, অনুভূতি ও আচরণ সম্প র্কে আরও সচেতন হতে পারবেন।
আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে এই ধরনের বইয়ের একটি বড় গুরুত্ব হলো, এগুলিইসলাম নিয়ে আগ্রহী পাঠক এবং তুলনামূলকভাবে কম জানা পাঠকের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারে। ইসলাম সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জনের জন্য মূল ধর্মগ্রন্থ অধ্যয়ন ও নির্ভরযোগ্য ব্যাখ্যার ভীষণ যেমন প্রয়োজন, পাশাপাশি সহজ সরল ভঙ্গীতে রচিত সহায়ক গ্রন্থ পাঠ মানুষের মাঝে সেই আগ্রহকে আরো বাড়িয়ে দেয়। বিশেষত মাতৃভাষায় কোনো বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ মানুষের কাছে জ্ঞানকে আরও সহজলভ্য করে তোলে। বাংলা ভাষায় কুরআনের শিক্ষা ও জীবনদর্শন নিয়ে এমন অনুবাদগ্রন্থের প্রয়োজনীয়তা এখানেই । মুরসালিম অনুবাদকের সেই দায়িত্ব অত্যান্ত আন্তরিক ও সততার সঙ্গে পালন করেছে। সে শব্দের আক্ষরিক অনুবাদের মাঝে নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে মূল ভাব ও তাৎপর্যকে সঠিক ও সাবলীলভাবে প্রকাশ করার চেষ্টা করেছে- আমার কাছে মুরসালিমের এই প্রচেষ্টাই অত্যান্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তার ভাষাগত পরিপক্কতা ও অনুবাদ-দক্ষতা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য।
মুরসালিমের লেখালেখির প্রতি দীর্ঘদিনের আগ্রহ, বিভিন্ন বিষয়ে তার পাঠাভ্যাস এবং ভাষার প্রতি মনো যোগের কথা আমার জানা। তার পূর্ববর্তী লেখাগুলির মধ্যেও বিষয়কে অনুধাবন করার চেষ্টা এবং বক্তব্যকে সুসংবদ্ধভাবে প্রকাশ করার প্রবণতা লক্ষ্য করেছি। তাই এই অনুবাদগ্রন্থকে আমি তার সাহিত্যিক ও বৌদ্ধিক চর্চার ধারাবাহিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করি। আমার কাছে সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো, মুরসালিম নিজের আগ্রহকে কেবল ব্যক্তিগত পাঠ বা লেখালেখির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি। সে এমন একটি বইকে বাংলা ভাষায় পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে, যার বিষয়বস্তু ধর্মীয় উপলব্ধি ও জীবনচর্চার সঙ্গে সম্পর্কিত, যাকে পড়লেই মুহূর্তেই মনের সমস্ত ক্লান্তি চলে যায়, জীবনে আসে সতেজতা, মানুষ আত্মমর্যাদায় উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। এই কাজের মধ্যে যেমন তার অধ্যবসায় রয়েছে, তেমনই রয়েছে বৃহত্তর পাঠকসমাজের সঙ্গে জ্ঞান ভাগ করে নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা। একজন শিক্ষক হিসেবে মুরসালিমের এই মহান উদ্যোগে সত্যিই বড় আনন্দিত, গর্বিত। তবে বইটির গুরুত্ব কেবল আমার প্রিয় ছাত্রের কাজ হিসেবে নয়; বরং বাংলা ভাষায় কুরআনের শিক্ষা ও জীবনবোধকে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি প্রয়াস হিসেবেও বিবেচ্য।
মুরসালিমের কাছে আমার প্রত্যাশা অনেক। তার সুপ্ত প্রতিভা আজ ক্রমশ বিকশিত হচ্ছে। দোয়া করি, তার এই নিষ্ঠা, অধ্যবসায় ও সৃজনশীলতার ধারা অব্যাহত থাকুক এবং ফুলে ফলে সমৃদ্ধ হোক। ভবিষ্যতেও যেন তার লেখা ও অনুবাদ কেবল মুসলিম নয় সকল পাঠকসমাজ ও আগামী প্রজন্মকে সমৃদ্ধশালী করে তুলতে পারে, সকলকে সঠিক পথ দেখাতে পারে। তার মতো শিক্ষিত মুসলিম অনুবাদকের আজ বড় প্রয়োজন। তার এই আন্তরিক উদ্যোগ সকলের কাছে প্রেরণা হয়ে উঠুক। শেষে-রাসায়েল মিনাল কুরআন বইটি পাঠকদের হাতে পৌঁছাক এবং তাদের মধ্যে কুরআনের বক্তব্য, তার অন্তর্নিহিত শিক্ষা ও জীবনদর্শন সম্পর্কে আরও জানার আগ্রহ তৈরি করুক-মন থেকে এই কামনা করি। মুরসালিমের এই প্রয়াসের জন্য তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। একজন পাঠক হিসেবে তার এই উদ্যোগের আরও বিস্তৃতি কামনা করি। আল্লাহ তাকে সাফল্য দিন, এভাবেই চলতে থাকুক মুরসালিমের কলম এক সুন্দর পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে। আলোকিত হোক সবার জীবন। আমিন!
ডঃ আমিনা খাতুন
বাংলা শাখা প্রধান, আধুনিক ভারতীয় ভাষা বিভাগ
আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়,
আলিগড়, উত্তর প্রদেশ





