Backlink hizmetleri hakkında bilgi al
Hacklink satın almak için buraya tıklayın
Hacklink satışı için buraya göz atın
Hacklink paneline erişim sağla
Edu-Gov Hacklink ile SEO'nuzu geliştirin

Backlink
Backlink hizmeti al

Hacklink
Hacklink hizmetleri hakkında bilgi al

Hacklink Al
SEO dostu hacklink satın al

Hacklink Satışı
Hacklink satışı ve hizmetleri

Hacklink Satın Al
SEO için hacklink satın al

Hacklink Panel
SEO hacklink paneli

Edu-Gov Hacklink
Etkili EDU-GOV hacklink satın al

For more information and tools on web security, visit DeepShells.com.tr.

To get detailed information about shell tools, visit DeepShells.com.tr.

To learn more about Php Shell security measures, check out this article.

For the best Php Shell usage guide, click on our guide.

If you want to learn about Aspx Shell usage to secure web applications, click here.

What is Aspx Shell and how to use it? Check out our Aspx Shell guide: Detailed information about Aspx Shell.

For detailed information about Asp Shell security tools in web applications, you can check out this article.

Discover the best Asp Shell usage guide for developers: Asp Shell usage.

Post Editorial

দিল্লি দাঙ্গা মামলায় ইনসাফকে গলা টিপে মারতে হাতিয়ার কি সেই গুজরাত মডেল?

375views

দিল্লি দাঙ্গার মামলায় পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে কেন্দ্র সরকার বেছে নিতে চাচ্ছে পছন্দসই আইনজীবীদের৷ গুজরাত দাঙ্গার বিচারকার্যের সময়েও এটা ঘটেছিল৷ ভিএইচপি ও আরএসএসের সদস্য-সমর্থক আইনজীবীরা পাবলিক প্রসিকিউটর হয়ে ন্যায়বিচারকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন৷ দিল্লির ক্ষেত্রেও কি ঘটবে একই ঘটনা? লিখছেন আশিস খেতান

ফেব্রুয়ারিতে ঘটা নৃশংস দিল্লি দাঙ্গা ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী প্রতিবাদ নিয়ে মামলাগুলিতে কেন্দ্র সরকার পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিজেদের পছন্দসই আইনজীবী নিয়োগ করতে উৎসুক৷ ব্যাপারটি খুবই কৌতূহল উদ্দীপক৷ কেন্দ্র কি নিরপেক্ষ আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারবে? এটা আশা করা যায় না৷ কারণ, নরেন্দ্র মোদি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন পাবলিক প্রসিকিউটরদের অপব্যবহার করেছিলেন দাঙ্গার মামলাগুলিতে ন্যায়বিচার চাপা দেবার জন্য৷ ২০০৭ সালে গুজরাত দাঙ্গার সুরতহাল করতে আমি সেখানে গিয়েছিলাম৷ আমি গোপনে দাঙ্গাকারীদের বয়ান রেকর্ড করেছিলাম৷ তারা স্বীকার করেছিল, কীভাবে ওরা মানুষকে খুন করে, পিটায়, পুড়িয়ে দেয়৷ তারা আরও স্বীকার করে যে, আমরা এত বিপুল সংখ্যক মানুষ মারতে পেরেছি শুধুমাত্র পুলিশের সাহায্যেই৷ এই ৬০ ঘণ্টার স্টিং টেপটিকে সিবিআই যাচাই করে ও ট্রায়াল কোর্টে পেশ করে৷ নারোদা পাটিয়া কেসে আদালত এটিকে ‘নির্ভরযোগ্য’ প্রমাণ হিসেবে মেনে নেয়৷ কিন্তু বিশেষ তদন্তকারী দল সিট এটাকে মেনে নেয়নি৷ গুজরাতের তৎকালীন মোদি সরকারের নিযুক্ত সরকারি আইনজীবীরা আরও বিস্তারিত ছকের কথা বলে মামলাগুলিকে দুর্বল করে দেয়৷ এরা কেউ ছিল সংঘ পরিবারের সদস্য, কেউ বা সমর্থক৷ তিনজন শীর্ষ প্রসিকিউটর অরবিন্দ পান্ডে, দিলীপ ত্রিবেদী, ভারত ভাট– এদের মধ্যে অন্যতম৷ তারা এসবের স্বীকারও করেছেন টেপে৷ দিলীপ ত্রিবেদী সেই সময় গুজরাত ভিএইচপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন৷ তার স্বীকারোক্তি ছিল, রাজ্য পুলিশের বহু দল, ডিফেন্স দাঙ্গাবাজদের নিরাপত্তা দিতে একসঙ্গে কাজ করে৷ সেই স্টিং অপারেশনে তিনি সমস্ত গোপন ছক স্বীকার করেন৷ আমি (আশিস খেতান) তাকে জিজ্ঞাসা করি মেহসানাতে কতগুলো কেস নিবন্ধন হয়েছে? ত্রিবেদী উত্তর দেন, ১৮২ টি অভিযোগ জম পড়েছিল৷ এর মধ্যে ৮০ টির চার্জশিট তৈরি করা হয়৷ এর মধ্যে তিন-চারটি কেস পেন্ডিং৷ বাকি ৭৬টি মামলা শেষ৷
খেতান: এর সবগুলিই কি হিন্দুদের পক্ষে?
ত্রিবেদী: মাত্র দুটি কেসে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে৷ বাকি ৭৪টি মামলায় সমস্ত অভিযুক্ত বেকসুর খালাস পায়৷ অপরাধ প্রমাণিত হবার পরেও আমরা আবেদন করে একজনকে ছাড়িয়ে নিয়েছি৷ দ্বিতীয় জনের ক্ষেত্রে আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হই৷ অভিযুক্ত জামিন পেয়ে গিয়েছেন৷ ৩০০০-এর বেশি হিন্দুকে গ্রেফতার করা হয়েছিল৷ মাত্র ১০০-১৫০ জন জামিন পায়নি৷
এরপর কথায় কথায় বিজাপুরের প্রসঙ্গ আসলে ত্রিবেদী বলেন, বিজাপুরে সরদারপুর নামে একটি গ্রাম আছে৷ সেখানে মুসলিমদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়৷ ১৪ জন অভিযুক্ত হয়৷ এটি বড় মামলা ছিল৷ সুপ্রিম কোর্ট এটিতে স্টে অর্ডার দেয়৷ আমি এখন আর এটা নিয়ে উদবিগ্ন নই, কারণ এই মামলার সমস্ত অভিযুক্ত জামিন পেয়ে গেছে৷ ত্রিবেদী নিজেই মামলা লড়ত শুধু তাই নয়৷ দাঙ্গাকারীদের আইনজীবী খুঁজে দিতেও তিনি সাহায্য করতেন৷ তার চেম্বারে বসে থাকার সময়েই বেশ কয়েকজন এ ব্যাপারে তার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল৷ সাবারকাথা জেলার দুই আরএসএস সদস্য নরেন্দ্র প্যাটেল ও মোহন প্যাটেল আমাকে বলেছিল, গুজরাত দাঙ্গাকারীদের আইনি সহায়তা দেবার জন্য দাঙ্গার পরপরই সংকলন নামে একটি লিগ্যাল সেল গঠন করা হয়৷ ভিএইচপির আইনজীবীরা এ কাজে এগিয়ে আসে ও পাবলিক প্রসিকিউটর হয়ে যায়৷ আরাবল্লী জেলায় আমি পাবলিক প্রসিকিউটর ভারত ভাটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি৷ তিনিও ভিএইচপির জেলা সভাপতি ছিলেন৷ ভাট জানান, মোট ১৪০০ টি মামলা ছিল৷ এর মধ্যে ৫৫০-৬০০ টি মামলা শুরুতেই বাতিল হয়ে যায়৷ পরবর্তীতে বাকিগুলো আবার সুপ্রিম কোর্টে খোলা হয়৷ এর ফলে অনেকে ভীত৷ এক ভিকটিমকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে কেস তুলে নিতেও তিনি বাধ্য করেছেন৷ অর্থ জোগাড় করার জন্য অভিযুক্তদের কাছেও তিনি হাত পেতেছেন৷ কাশ্মীর, পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশের ধনী হিন্দুদের উসকে টাকা আনেন এই আইনজীবী৷ ভাট স্বীকার করেছেন, আমি বলতাম, নিজের সম্প্রদায়ের কল্যাণের কাজেই যদি টাকাপয়সা খরচ করতে না পারেন তবে লাভ কী৷ কেউ ৫০০০, কেউ ১০০০০, কেউ এক লক্ষ টাকাও দিয়ে দিত৷ এভাবে ৫-৭ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করেন ভাট যেগুলো দিনের আলোয় ঘটা খুনের মামলাগুলো সেটল করতে ব্যবহার করা হয়৷ এই টাকা দিয়ে তিনি তরবারিও কেনেন মানুষকে টুকরো টুকরো করার জন্য৷

নানাবতী-শাহ কমিশনে গুজরাত সরকারের পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অরবিন্দ পান্ডে৷ তিনি আমার কাছে স্বীকার করেন, কমিশনের কাজকারবারেও নাক গলিয়ে দাঙ্গাবাজদের নিরাপদ করতে চেষ্টা চালিয়েছিলেন৷ পান্ডে বলেন, গুজরাতে সেই সময় (২০০২) যদি অবিজেপি সরকার ক্ষমতায় থাকত, তবে এই মুসলিম নিধনযজ্ঞ চালানো সম্ভব হত না৷ গোধরা কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী মোদিও প্রচণ্ড চটে গিয়েছিলেন৷ মুসলিম হত্যার এই যজ্ঞকে প্রতি বছর ‘বিজয় দিবস’ হিসেবে পালন করার কথা বলেন পান্ডে৷ ২০১০-এর ১৭ মে সিটের প্রতিবেদনে স্বীকার করা হয় যে, গুজরাত দাঙ্গায় পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে ভিএইচপি ও আরএসএস সমর্থক-সদস্য এমন আইনজীবীদের সরকার নিয়োগ দেয়৷ এর সঙ্গে গভীর রাজনৈতিক যোগও রয়েছে বলে জানান সিটের চেয়ারম্যান আর কে রাঘবন৷ তবুও সিট মুখ্যমন্ত্রী মোদিসহ রাজ্যের বড় বড় পদাধিকারীদের দাঙ্গায় জড়িত থাকার অভিযোগ খারিজ করে দেয়৷ তারা বিশ্বাস করত, এদেরকে অভিযুক্ত প্রমাণ করার জন্য নাকি যথেষ্ট প্রমাণ নেই৷ এটাকেই ‘ক্লিনচিট’ বলে বিজেপি উদযাপন করে থাকে৷ দিল্লির দাঙ্গাতেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চলেছে কেন্দ্র সরকার৷ এখানেও ক্ষমতায় সেই ব্যক্তি৷ গুজরাত দাঙ্গায় ইনসাফকে গলা টিপে মেরেছিল সরকারের পছন্দসই আইনজীবীরা৷ এখানেও কি এর পুনরাবৃত্তি হবে?

তরজমা-গোলাম রাশিদ

Leave a Response