1. https://cte.uet.vnu.edu.vn/dai-hoc-quoc-gia-ha-noi-30-nam-tien-phong-doi-moi-tro-thanh-dai-hoc-da-nganh-da-linh-vuc-hang-dau-cua-viet-nam/
2. https://cte.uet.vnu.edu.vn/gop-y-van-kien-dai-hoi-xiv-cua-dang-viet-nam-khong-chi-tham-gia-hoi-nhap-ma-co-the-dinh-hinh-hoi-nhap/
3. https://cte.uet.vnu.edu.vn/the-eleventh-national-conference-on-mechanics-and-the-ninth-national-congress-of-the-vietnam-association-for-mechanics/
4. https://cte.uet.vnu.edu.vn/dua-ai-tro-thanh-mon-bat-buoc-don-bay-quan-trong-cua-giao-duc-dai-hoc-viet-nam/
5. https://cte.uet.vnu.edu.vn/nguoi-thay-thap-sang-uoc-mo-mo-duong-cho-the-he-tre-hoi-nhap-voi-nen-khoa-hoc-the-gioi/
6. https://cte.uet.vnu.edu.vn/hoi-thao-cach-mang-cong-nghiep-4-0-co-hoi-va-thach-thuc-voi-cac-nganh-ky-thuat-cong-nghe/
7. https://cte.uet.vnu.edu.vn/khoa-hoc-khong-chi-thuc-day-kinh-te-ma-con-la-nen-tang-cua-mot-quoc-gia-tri-thuc-sang-tao/
10. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/khong-co-dai-hoc-manh-khong-the-co-cong-nghe-loi/
11. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/thong-bao-so-2-hoi-nghi-co-hoc-toan-quoc-lan-thu-xi/
12. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/truong-dh-cong-nghe-co-chu-tich-hoi-dong-truong-va-hieu-truong-moi/
13. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/47-nguoi-viet-vao-top-nha-khoa-hoc-anh-huong-nhat-the-gioi-2023/
14. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/xay-dung-he-sinh-thai-khoa-hoc-cong-bang-de-phat-trien-tai-nang-tre/
15. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/truong-dai-hoc-cong-nghe-dhqghn-thanh-lap-khoa-cong-nghe-xay-dung-giao-thong/
16. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/gs-nguyen-dinh-duc-viet-nam-da-cham-mot-tay-vao-nganh-san-xuat-chip-ban-dan/
17. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/gs-tskh-nguyen-dinh-duc-viet-nam-co-5-nha-khoa-hoc-vao-danh-sach-hang-dau-the-gioi/
18. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/gs-tskh-nguyen-dinh-duc-nha-khoa-hoc-duoc-xep-hang-trong-nhom-10-000-nha-khoa-hoc-hang-dau-the-gioi/
19. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/gop-y-van-kien-dai-hoi-xiv-cua-dang-viet-nam-khong-chi-tham-gia-hoi-nhap-ma-co-the-dinh-hinh-hoi-nhap/
Post Editorial

দিল্লি দাঙ্গা মামলায় ইনসাফকে গলা টিপে মারতে হাতিয়ার কি সেই গুজরাত মডেল?

494views

দিল্লি দাঙ্গার মামলায় পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে কেন্দ্র সরকার বেছে নিতে চাচ্ছে পছন্দসই আইনজীবীদের৷ গুজরাত দাঙ্গার বিচারকার্যের সময়েও এটা ঘটেছিল৷ ভিএইচপি ও আরএসএসের সদস্য-সমর্থক আইনজীবীরা পাবলিক প্রসিকিউটর হয়ে ন্যায়বিচারকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন৷ দিল্লির ক্ষেত্রেও কি ঘটবে একই ঘটনা? লিখছেন আশিস খেতান

ফেব্রুয়ারিতে ঘটা নৃশংস দিল্লি দাঙ্গা ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী প্রতিবাদ নিয়ে মামলাগুলিতে কেন্দ্র সরকার পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিজেদের পছন্দসই আইনজীবী নিয়োগ করতে উৎসুক৷ ব্যাপারটি খুবই কৌতূহল উদ্দীপক৷ কেন্দ্র কি নিরপেক্ষ আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারবে? এটা আশা করা যায় না৷ কারণ, নরেন্দ্র মোদি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন পাবলিক প্রসিকিউটরদের অপব্যবহার করেছিলেন দাঙ্গার মামলাগুলিতে ন্যায়বিচার চাপা দেবার জন্য৷ ২০০৭ সালে গুজরাত দাঙ্গার সুরতহাল করতে আমি সেখানে গিয়েছিলাম৷ আমি গোপনে দাঙ্গাকারীদের বয়ান রেকর্ড করেছিলাম৷ তারা স্বীকার করেছিল, কীভাবে ওরা মানুষকে খুন করে, পিটায়, পুড়িয়ে দেয়৷ তারা আরও স্বীকার করে যে, আমরা এত বিপুল সংখ্যক মানুষ মারতে পেরেছি শুধুমাত্র পুলিশের সাহায্যেই৷ এই ৬০ ঘণ্টার স্টিং টেপটিকে সিবিআই যাচাই করে ও ট্রায়াল কোর্টে পেশ করে৷ নারোদা পাটিয়া কেসে আদালত এটিকে ‘নির্ভরযোগ্য’ প্রমাণ হিসেবে মেনে নেয়৷ কিন্তু বিশেষ তদন্তকারী দল সিট এটাকে মেনে নেয়নি৷ গুজরাতের তৎকালীন মোদি সরকারের নিযুক্ত সরকারি আইনজীবীরা আরও বিস্তারিত ছকের কথা বলে মামলাগুলিকে দুর্বল করে দেয়৷ এরা কেউ ছিল সংঘ পরিবারের সদস্য, কেউ বা সমর্থক৷ তিনজন শীর্ষ প্রসিকিউটর অরবিন্দ পান্ডে, দিলীপ ত্রিবেদী, ভারত ভাট– এদের মধ্যে অন্যতম৷ তারা এসবের স্বীকারও করেছেন টেপে৷ দিলীপ ত্রিবেদী সেই সময় গুজরাত ভিএইচপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন৷ তার স্বীকারোক্তি ছিল, রাজ্য পুলিশের বহু দল, ডিফেন্স দাঙ্গাবাজদের নিরাপত্তা দিতে একসঙ্গে কাজ করে৷ সেই স্টিং অপারেশনে তিনি সমস্ত গোপন ছক স্বীকার করেন৷ আমি (আশিস খেতান) তাকে জিজ্ঞাসা করি মেহসানাতে কতগুলো কেস নিবন্ধন হয়েছে? ত্রিবেদী উত্তর দেন, ১৮২ টি অভিযোগ জম পড়েছিল৷ এর মধ্যে ৮০ টির চার্জশিট তৈরি করা হয়৷ এর মধ্যে তিন-চারটি কেস পেন্ডিং৷ বাকি ৭৬টি মামলা শেষ৷
খেতান: এর সবগুলিই কি হিন্দুদের পক্ষে?
ত্রিবেদী: মাত্র দুটি কেসে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে৷ বাকি ৭৪টি মামলায় সমস্ত অভিযুক্ত বেকসুর খালাস পায়৷ অপরাধ প্রমাণিত হবার পরেও আমরা আবেদন করে একজনকে ছাড়িয়ে নিয়েছি৷ দ্বিতীয় জনের ক্ষেত্রে আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হই৷ অভিযুক্ত জামিন পেয়ে গিয়েছেন৷ ৩০০০-এর বেশি হিন্দুকে গ্রেফতার করা হয়েছিল৷ মাত্র ১০০-১৫০ জন জামিন পায়নি৷
এরপর কথায় কথায় বিজাপুরের প্রসঙ্গ আসলে ত্রিবেদী বলেন, বিজাপুরে সরদারপুর নামে একটি গ্রাম আছে৷ সেখানে মুসলিমদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়৷ ১৪ জন অভিযুক্ত হয়৷ এটি বড় মামলা ছিল৷ সুপ্রিম কোর্ট এটিতে স্টে অর্ডার দেয়৷ আমি এখন আর এটা নিয়ে উদবিগ্ন নই, কারণ এই মামলার সমস্ত অভিযুক্ত জামিন পেয়ে গেছে৷ ত্রিবেদী নিজেই মামলা লড়ত শুধু তাই নয়৷ দাঙ্গাকারীদের আইনজীবী খুঁজে দিতেও তিনি সাহায্য করতেন৷ তার চেম্বারে বসে থাকার সময়েই বেশ কয়েকজন এ ব্যাপারে তার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল৷ সাবারকাথা জেলার দুই আরএসএস সদস্য নরেন্দ্র প্যাটেল ও মোহন প্যাটেল আমাকে বলেছিল, গুজরাত দাঙ্গাকারীদের আইনি সহায়তা দেবার জন্য দাঙ্গার পরপরই সংকলন নামে একটি লিগ্যাল সেল গঠন করা হয়৷ ভিএইচপির আইনজীবীরা এ কাজে এগিয়ে আসে ও পাবলিক প্রসিকিউটর হয়ে যায়৷ আরাবল্লী জেলায় আমি পাবলিক প্রসিকিউটর ভারত ভাটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি৷ তিনিও ভিএইচপির জেলা সভাপতি ছিলেন৷ ভাট জানান, মোট ১৪০০ টি মামলা ছিল৷ এর মধ্যে ৫৫০-৬০০ টি মামলা শুরুতেই বাতিল হয়ে যায়৷ পরবর্তীতে বাকিগুলো আবার সুপ্রিম কোর্টে খোলা হয়৷ এর ফলে অনেকে ভীত৷ এক ভিকটিমকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে কেস তুলে নিতেও তিনি বাধ্য করেছেন৷ অর্থ জোগাড় করার জন্য অভিযুক্তদের কাছেও তিনি হাত পেতেছেন৷ কাশ্মীর, পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশের ধনী হিন্দুদের উসকে টাকা আনেন এই আইনজীবী৷ ভাট স্বীকার করেছেন, আমি বলতাম, নিজের সম্প্রদায়ের কল্যাণের কাজেই যদি টাকাপয়সা খরচ করতে না পারেন তবে লাভ কী৷ কেউ ৫০০০, কেউ ১০০০০, কেউ এক লক্ষ টাকাও দিয়ে দিত৷ এভাবে ৫-৭ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করেন ভাট যেগুলো দিনের আলোয় ঘটা খুনের মামলাগুলো সেটল করতে ব্যবহার করা হয়৷ এই টাকা দিয়ে তিনি তরবারিও কেনেন মানুষকে টুকরো টুকরো করার জন্য৷

নানাবতী-শাহ কমিশনে গুজরাত সরকারের পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অরবিন্দ পান্ডে৷ তিনি আমার কাছে স্বীকার করেন, কমিশনের কাজকারবারেও নাক গলিয়ে দাঙ্গাবাজদের নিরাপদ করতে চেষ্টা চালিয়েছিলেন৷ পান্ডে বলেন, গুজরাতে সেই সময় (২০০২) যদি অবিজেপি সরকার ক্ষমতায় থাকত, তবে এই মুসলিম নিধনযজ্ঞ চালানো সম্ভব হত না৷ গোধরা কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী মোদিও প্রচণ্ড চটে গিয়েছিলেন৷ মুসলিম হত্যার এই যজ্ঞকে প্রতি বছর ‘বিজয় দিবস’ হিসেবে পালন করার কথা বলেন পান্ডে৷ ২০১০-এর ১৭ মে সিটের প্রতিবেদনে স্বীকার করা হয় যে, গুজরাত দাঙ্গায় পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে ভিএইচপি ও আরএসএস সমর্থক-সদস্য এমন আইনজীবীদের সরকার নিয়োগ দেয়৷ এর সঙ্গে গভীর রাজনৈতিক যোগও রয়েছে বলে জানান সিটের চেয়ারম্যান আর কে রাঘবন৷ তবুও সিট মুখ্যমন্ত্রী মোদিসহ রাজ্যের বড় বড় পদাধিকারীদের দাঙ্গায় জড়িত থাকার অভিযোগ খারিজ করে দেয়৷ তারা বিশ্বাস করত, এদেরকে অভিযুক্ত প্রমাণ করার জন্য নাকি যথেষ্ট প্রমাণ নেই৷ এটাকেই ‘ক্লিনচিট’ বলে বিজেপি উদযাপন করে থাকে৷ দিল্লির দাঙ্গাতেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চলেছে কেন্দ্র সরকার৷ এখানেও ক্ষমতায় সেই ব্যক্তি৷ গুজরাত দাঙ্গায় ইনসাফকে গলা টিপে মেরেছিল সরকারের পছন্দসই আইনজীবীরা৷ এখানেও কি এর পুনরাবৃত্তি হবে?

তরজমা-গোলাম রাশিদ

Leave a Response

WordPress Downloads Store – WooCommerce WordPress Theme StoreApps Smart Manager - Manage Your WooCommerce Store 10x Storeca - Storage Service Elementor Template Kit Storefront Mega Menus Storefront Parallax Hero Storefront Pricing Tables Storefront Product Hero Storefront Reviews Stories – Personal Blog WordPress Theme Storm – Magazine and Blog WordPress Theme