1. https://cte.uet.vnu.edu.vn/dai-hoc-quoc-gia-ha-noi-30-nam-tien-phong-doi-moi-tro-thanh-dai-hoc-da-nganh-da-linh-vuc-hang-dau-cua-viet-nam/
2. https://cte.uet.vnu.edu.vn/gop-y-van-kien-dai-hoi-xiv-cua-dang-viet-nam-khong-chi-tham-gia-hoi-nhap-ma-co-the-dinh-hinh-hoi-nhap/
3. https://cte.uet.vnu.edu.vn/the-eleventh-national-conference-on-mechanics-and-the-ninth-national-congress-of-the-vietnam-association-for-mechanics/
4. https://cte.uet.vnu.edu.vn/dua-ai-tro-thanh-mon-bat-buoc-don-bay-quan-trong-cua-giao-duc-dai-hoc-viet-nam/
5. https://cte.uet.vnu.edu.vn/nguoi-thay-thap-sang-uoc-mo-mo-duong-cho-the-he-tre-hoi-nhap-voi-nen-khoa-hoc-the-gioi/
6. https://cte.uet.vnu.edu.vn/hoi-thao-cach-mang-cong-nghiep-4-0-co-hoi-va-thach-thuc-voi-cac-nganh-ky-thuat-cong-nghe/
7. https://cte.uet.vnu.edu.vn/khoa-hoc-khong-chi-thuc-day-kinh-te-ma-con-la-nen-tang-cua-mot-quoc-gia-tri-thuc-sang-tao/
10. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/khong-co-dai-hoc-manh-khong-the-co-cong-nghe-loi/
11. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/thong-bao-so-2-hoi-nghi-co-hoc-toan-quoc-lan-thu-xi/
12. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/truong-dh-cong-nghe-co-chu-tich-hoi-dong-truong-va-hieu-truong-moi/
13. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/47-nguoi-viet-vao-top-nha-khoa-hoc-anh-huong-nhat-the-gioi-2023/
14. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/xay-dung-he-sinh-thai-khoa-hoc-cong-bang-de-phat-trien-tai-nang-tre/
15. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/truong-dai-hoc-cong-nghe-dhqghn-thanh-lap-khoa-cong-nghe-xay-dung-giao-thong/
16. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/gs-nguyen-dinh-duc-viet-nam-da-cham-mot-tay-vao-nganh-san-xuat-chip-ban-dan/
17. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/gs-tskh-nguyen-dinh-duc-viet-nam-co-5-nha-khoa-hoc-vao-danh-sach-hang-dau-the-gioi/
18. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/gs-tskh-nguyen-dinh-duc-nha-khoa-hoc-duoc-xep-hang-trong-nhom-10-000-nha-khoa-hoc-hang-dau-the-gioi/
19. https://irgamme.uet.vnu.edu.vn/gop-y-van-kien-dai-hoi-xiv-cua-dang-viet-nam-khong-chi-tham-gia-hoi-nhap-ma-co-the-dinh-hinh-hoi-nhap/
Opinion

ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলন এবং মুসলিমদের অংশগ্রহণ

179views

লেখক: তালহা মান্নান

অনুবাদ: সেখ ইমরান হোসেন 

আমরা বেশ কিছু বন্ধু মিলে গত সপ্তাহ ধরে দিল্লির জন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ধর্ণা মঞ্চে যাতায়াত করছি। সেখানে আমরা বিভিন্ন সংগঠন ও ভিন্ন রাজনৈতিক চিন্তাধারা ও মতাদর্শের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত করতে দেখেছি। তারা কেউই এই ধর্ণা মঞ্চে কোনো সংগঠনের ডাকে আসেনি। তারা মূলত জোট বেঁধেছে একটি আপাদমস্তক ব্যর্থ সিস্টেমের প্রতি একরাশ ক্লান্তি, হতাশা ও ক্ষোভ নিয়ে। যে ব্যর্থ এবং বিপর্যস্ত ব্যবস্থা তাদেরকে প্রতিনিয়ত জীবনযাত্রায় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

আমি এর আগেও বহু আন্দোলনের অংশ হয়ে জন্তর মন্তরে উপস্থিত থেকেছি। নাজিবের রহস্যময় ভাবে নিখোঁজ হওয়া, মব লিঞ্চিংবিরোধী আন্দোলন, ফিলিস্তিনের সমর্থনে সমাবেশ, ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সহ আরো অনেক। এসব আন্দোলন সমূহের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য ছিল। আগে জন্তর মন্তরে প্রবেশ করলেই এক ধরনের ভয়, উত্তেজনা ও অস্বস্তি অনুভূত হতো। চারদিকে ভারী পুলিশি উপস্থিতি, আধাসামরিক বাহিনীর মোতায়েন এবং নানান সতর্কবার্তা পুরো পরিবেশকে ভীতিকর ও চাপের করে তুলত। কিন্তু এবার সেই অনুভূতির লেশ মাত্র ছিল না। এই অনুভূতিহীনতার কারণ কি এটাই যে–এ আন্দোলন কোনো ‘মুসলিম’ ইস্যুকে কেন্দ্র করে নয়? হতে পারে।

এবার আসুন, জন্তর মন্তরে আমাদের উপস্থিত হওয়ার কারণ কী ছিল এবং কী ছিল না–সেই বিষয়টি নিয়ে কথা বলি।

প্রথমত, আমি মনে করি, নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া এবং ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার বৃহত্তর সংকটের বিরুদ্ধে সংঘটিত হওয়া এই আন্দোলনে যদি কেউ অংশগ্রহণ করে, তার এই অংশগ্রহণ করাকে Cockroach Janata Party (CJP)-এর প্রতি সমর্থন হিসেবে দেখা উচিত নয়। আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেকে মানুষেরই মনে CJP , তাদের রাজনীতি, নেতৃত্ব ও আন্দোলনের ধরন নিয়ে প্রশ্ন আছে। আমরাও সেই প্রশ্নগুলোকে সঙ্গে করে নিয়েই একই মঞ্চে দাঁড়িয়েছি। মূলত এমন এক পরিস্থিতি ও বাস্তবতা আমাদের এবং আমাদের মত অন্যান্য মানুষদের জন্তর মন্তরের এই মঞ্চে নিয়ে এসেছে। এই আন্দোলনের মালিকানা কোনো একক সংগঠন দাবি করতে পারে না এবং করলে তা ভুল হবে।

এই আন্দোলন কেবলমাত্র CJP-এর আন্দোলন নয়

জন্তর মন্তরে উপস্থিত থাকলেই একটি বিষয় প্রায় পরিষ্কার হয়ে যায় যে, এই আন্দোলন কেবলমাত্র CJP-এর আন্দোলন নয়। মঞ্চ, মাইক ও আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ তাদের হাতে থাকলেও, সমাবেশের চরিত্র এখানে অন্য কথা বলে। এখানে যেমন অংশ নিয়েছে বিভিন্ন বামপন্থী ছাত্রসংগঠন, আম আদমি পার্টির ছাত্র শাখা, তেমনই অংশ নিয়েছে এমন অনেক স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতারা, যারা জেন-জি প্রজন্মের ভাষায় কথা সোচ্চার হয়ে নিজেদের একটি নিজস্ব গ্রহনযোগ্যতা তৈরি করেছে। সর্বোপরি কোনো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন–এমন অসংখ্য শিক্ষার্থী এবং CJP-এর কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরাও অংশ নিয়েছেন। সমগ্র বিষয়টি আদতেও কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং সকলের যোগদানই এই আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বাস্তবতা। তাই এই মুহুর্তে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই যে প্রশ্নগুলো করছেন, তার উত্তর দিই–

১) শিক্ষার্থীরা কি মূলত CJP-এর আহ্বানে এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছে?–না।
২) তারা কি অভিজিৎ দিপকের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বা CJP-এর আদর্শে বিশ্বাসী?–না।
৩) যারা উপস্থিত হয়েছে, তারা কি CJP-এর নেতৃত্ব বা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী?–তেমন নয়।

তাহলে তারা এই আন্দোলনে যোগ দিচ্ছে কেন?

কারণ বর্তমান সরকার ও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের নানানভাবে ব্যর্থ ও পরাজিত করেছে। কারণ লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী বছরের পর বছর প্রস্তুতি নিয়ে এমন একটি পরীক্ষায় বসতে চেয়েছিল, যেই পরীক্ষার বিশ্বাসযোগ্যতাই বর্তমানে একপ্রকার নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সরকারের একজন মন্ত্রীও এই বিপর্যস্ত পরিস্থিতির নৈতিক দায় স্বীকার করেননি। দেশের তরুণদের মনে জমতে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশের জন্য একটি জায়গা দরকার ছিল। এই পর্যায়ে CJP সেই প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

জন্তর মন্তরের এই প্রতিবাদের মূল ভিত্তি কী শুধুই ক্ষোভ?

CJP-এর উত্থান ও এই আন্দোলন নিয়ে যে বিশ্লেষণ গুলি সামনে এসেছে, সেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে–শুধু ক্ষোভের ওপর দাঁড়িয়ে কি কোনো আন্দোলন যথেষ্ট দীর্ঘমেয়াদী হতে পারে? ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয় যে, বিজেপি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে শুধু ক্ষোভকে পুঁজি করে নয়। তারা কয়েক দশক ধরে এমন একটি আদর্শিক ভিত্তি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল, যা তাদের সমর্থকদের একটি বিশেষ উদ্দেশ্য ও মতাদর্শ ইত্যাদি সম্পর্কে সচেতন করে তুলতে পেরেছে।

CJP ও এই ধরনের আন্দোলনের সামনে বর্তমানে একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ রয়েছে। জনতার স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভকে একটি সুসংহত, দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক দর্শনে রূপান্তর করা আদতেই কোনো সহজ বিষয় নয়। মূলত ক্ষোভ কোনো মতাদর্শ নয়। এটিকে আমরা কেবল কাঁচামাল বা অনুঘটক হিসেবে দেখতে পারি। এবার এই কাঁচামাল দিয়ে কী গড়ে তোলা হবে, এবং কার জন্য গড়ে তোলা হবে–সেটিই মুখ্য প্রশ্ন। আর ঠিক এখানেই CJP-কে নিয়ে আমাদের উদ্বেগের সূত্রপাত।

বর্তমানে যে প্রশ্নগুলো না করলেই নয় –

এই একই আন্দোলনে, যেখানে একটি ব্যর্থ শিক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করছে, সেখানেই “মেরা জেন্ডার, মেরি মারজি” স্লোগানের মাধ্যমে লিঙ্গ-পরিচয়ের প্রশ্নকে রাজনৈতিক দাবির মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বিষয়ের ওপর কেউ কোনরকম মতামত রাখছে না।

একজন মুসলিম ছাত্রীকে কেবল হিজাব পরার কারণে, অর্থাৎ তার দৃশ্যমান মুসলিম পরিচয়ের কারণে, নিট পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। যদি CJP-এর আন্দোলন শিক্ষাগত ন্যায়বিচার ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার বিরুদ্ধে হয়, তবে এই ঘটনাকে কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং এটিও সেই সংকটেরই একটি কেন্দ্রীয় উদাহরণ, যার জন্য সিজেপি আন্দোলন করছে। যদি লিঙ্গ পরিচয়ের প্রশ্ন এই আন্দোলনের মঞ্চে স্থান পায়, তবে মুসলিমদের নানান জায়গায় হেনস্থার তিক্ত অভিজ্ঞতা ও বঞ্চনার প্রশ্নও এই মঞ্চে পাওয়ার যোগ্য।

মঞ্চ থেকে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করা ভুল নয়। কিন্তু কেবল পদত্যাগের দাবি করে যাওয়া, অথচ এমন কোনো কাঠামোগত সংস্কারের আলোচনাই না থাকা–যেখানে দেখা হবে কীভাবে বৈষম্য পিছিয়ে পড়া দলিত ও সংখ্যালঘুদের আরও পিছিয়ে দেয়। কিংবা কীভাবে মুসলিম শিক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের আগেই নিজেদের পরিচয় ও বেশভূষার কারণে নানা বাধার মুখে পড়ে– তাহলে বলতে হয় “শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের প্রশ্ন” প্রতিবাদের থেকে রাজনৈতিক নাটকেই বেশি পরিণত হয়।

ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট কেবল প্রশ্নপত্র ফাঁসের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। যে আন্দোলন শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবি করছে, তাকে আরও বৃহত্তর বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে বাকস্বাধীনতা সংকুচিত হওয়া, ক্যাম্পাসে ভিন্নমতকে প্রতিনিয়ত দমন করা, পরিচয়ের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বরকে অপরাধ হিসেবে দেখানো, ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিত করা, শিক্ষানীতিকে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে গেরুয়াকরণ এবং শিক্ষার ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিকীকরণ–এসব বিষয়ও আন্দোলনের আলোচ্য বিষয় হওয়া উচিত।

আমরা এই প্রশ্নগুলো আন্দোলনের বাইরে থেকে নয়, ভেতর থেকেই তুলছি। এগুলো কোনোভাবেই আন্দোলনকে বিভক্ত করার চেষ্টা নয়, বরং আরও জোরালো ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলার প্রচেষ্টা। এসব প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া হলে ঐক্য সৃষ্টি হবে না, উল্টোদিকে প্রয়োজনীয় আলোচনা এবং সমস্যা সমূহের সমাধানকে কেবল পিছিয়ে দেয়া হবে।

তবুও আমরা এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছি কেন?

আমরা জানি, জন্তর মন্তরে আমাদের উপস্থিতিকে নানান মহল থেকে বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হবে। কেউ বলবেন, আমরা CJP-এর রাজনীতিকে বৈধতা দিচ্ছি। আবার কেউ প্রশ্ন তুলবেন, মুসলিম ছাত্রসংগঠনের কিংবা সংগঠনের নেতৃবৃন্দের এখানে থাকারই বা কী প্রয়োজন।

আমরা উপরিউক্ত দুটি ব্যাখ্যাই প্রত্যাখ্যান করি।

জন্তর মন্তরে আমাদের উপস্থিতি এই ঘোষণাই বহন করে যে, ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার ভবিষ্যতের প্রশ্নে মুসলিম শিক্ষার্থীরাও সমান অংশীদার। তারাও অন্য সবার মতো নিটের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে, একই রকম প্রতারণার শিকার হয়েছে। তাই এই সংকট আমাদেরও সংকট। কেবলমাত্র মঞ্চে থাকা CJP পার্টি আমাদের প্রশ্ন বা উদ্বেগের বিষয়গুলোতে এখনও সোচ্চার হয়নি বলে আমরা এই লড়াই থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখতে পারবো না।

আমরা প্রতিবাদস্থলে CJP-এর কর্মসূচিকে অন্ধের মতো সমর্থন জানাতে যাইনি। আমরা গিয়েছি তার পরিধি আরও যাতে বিস্তৃত হয়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে। আমরা গিয়েছি সেই বাস্তবতা বা মূল প্রশ্নগুলোকে সামনে আনতে, যেগুলো প্রতিবাদের আড়ালে হারিয়ে যায়। প্রকৃত বঞ্চিত শুধু তারাই নয়, যারা দুঃশাসনের শিকার। প্রায়শই দুঃশাসনের স্বীকার হয় এমন একটি শ্রেণি, যাদের বঞ্চনাকেই বঞ্চনা হিসেবে স্বীকার করা হয় না। আমাদের অংশগ্রহণ সেই অদৃশ্য হয়ে থাকা বঞ্চিতদের জন্য।

ভবিষ্যতে আমাদের অবস্থান

এই আন্দোলনে মুসলিমদের অংশগ্রহণ আমাদের অবস্থানকে আরও বেশি স্পষ্ট করে দিয়েছে। আমরা ধর্ম, জাত, লিঙ্গ নির্বিশেষে প্রতিটি শিক্ষার্থীর পক্ষে রয়েছি, যারা আদতেই একটি সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থা এবং জবাবদিহিমূলক প্রশাসনের দাবি রাখে। একই সঙ্গে আমরা এটাও বলি যে, শিক্ষাগত ন্যায়বিচার কখনো একমাত্রিক হতে পারে না। যে আন্দোলন প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে কথা বলে, কিন্তু পরিচয়ভিত্তিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে নীরব থাকে, সে আন্দোলন সব শিক্ষার্থীর জন্য নয়। আমরা প্রশ্ন করতে থাকব–এই আন্দোলন কি অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার পাশাপাশি মুসলিম বিদ্বেষজনিত বৈষম্যের কথাও বলতে পারবে? মুসলিম শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা কি এই আন্দোলনের পরিসরের ভেতরে স্থান পাবে, নাকি তার বাইরেই থেকে যাবে? জন্তর মন্তরের ধর্ণা মঞ্চ বহুমাত্রিক। আন্দোলনের দাবি ন্যায়সঙ্গত। আমাদের অংশগ্রহণও বাস্তব। একই সঙ্গে আমাদের প্রশ্নগুলিও ঠিক ততটাই বাস্তবসম্মত।

Talha Mannan is National Secretary of SIO of India and is currently pursuing PhD at the Maulana Azad National Urdu University, Hyderabad

Leave a Response

WordPress Downloads Luvaniz – Creative One Page WordPress Theme Luwe – Restaurant Elementor Template Kit Luwix – Data Science & Analytics WordPress Theme + RTL Ready Luxa - Luxury Black MultiPurpose WordPress Theme Luxcut – Hair Salons and Hairdressers WordPress Theme Luxdiamond – Jewelry Shop Elementor Template Kit Luxe – Architecture Theme Luxed – Creative Multipurpose WordPress Theme Luxeliving – Luxury Resort & Hotel Elementor Template Kit LuxeStay – Hotel Booking WordPress theme